জানা গেছে, ওই নারী পূজার ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন। তিনি একজন সাংবাদিকের বোন বলে জানা গেছে। তবে সাইফ ওই নারীর কী সম্পর্কের ব্যক্তি এবং তিনি জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনই পর্যটক ছিলেন। এ ঘটনায় আহত ছয়জনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদের মধ্যে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রিসোর্টের কর্মচারী মোহাম্মদ সোহেল জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় রিসোর্টে ১৮ জন অতিথি ছিলেন। তবে ফায়ার সার্ভিস সূত্রে সেখানে ১৭ জন পর্যটক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আগুন লাগার সময় রিসোর্টের ছয় থেকে সাতটি কক্ষে পর্যটকেরা অবস্থান করছিলেন। তাঁদের কেউ কেউ ঘুমিয়ে ছিলেন। কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি স্থাপনায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পর্যটকেরা প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান ও পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে (এডিএম) প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রম চলছে। পর্যটকদের বিস্তারিত তথ্য জানতে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের লোকজন ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।