দক্ষিণ পূর্ব

উন্মোচিত হলো চাকসু প্রকাশিত ‘জুলাইগাঁথা'

দক্ষিণপূর্ব
দক্ষিণপূর্ব
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫৬ দুপুর
সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
পঠিত : ৩
উন্মোচিত হলো চাকসু প্রকাশিত ‘জুলাইগাঁথা'
Degchibarictg

চবি প্রতিনিধি 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ চাকসুর সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণমূলক বই ‘জুলাইগাঁথা'র মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। 

আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায়  চাকসু ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন জুলাই শহিদ হৃদয় চন্দ্র ও শহিদ ফরহাদ হোসেনকে উৎসর্গ করা হয়েছে। বইটিতে ৬৭ জন লেখকের স্মৃতি স্থান পেয়েছে। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন ‘জুলাই গাঁথা'র সম্পাদকীয় উপদেষ্টা ও চবির দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, সম্পাদক হারেস মাতাব্বর, সহকারী সম্পাদক জিহাদ আহনাফ এবং সম্পাদনা সহযোগী মুহাম্মদ রিয়াদ উদ্দিন। 

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ আলী, চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ এবং যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভুঁইয়া, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদকসহ চাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধিরা।

এসময় জুলাইগাঁথা বইয়ের সম্পাদকীয় উপদেষ্টা দর্শন বিভাগের শিক্ষক মোজাম্মেল হক বলেন জুলাই নিয়ে চাকসুর এই বইটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। জুলাইেয়ের মধ্যে দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ ও ভিন্নমত প্রকাশ করার স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু জুলাই পরর্বতী বাংলাদেশ আমরা যেই পরিবর্তন চেয়েছি সেটা কি আদৌ হয়েছে? 

এসময় চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন এই বইয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিগুলো একত্রে দলিল হয়ে থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি এই দেশে আর কেউ যদি স্বৈরাচার হয়ে উঠতে চায় তাদেরকে বলবো এখান থেকে শিক্ষা নিন। 

এসময় জুলাইগাঁথা বইয়ের সম্পাদক হারেস মাতাব্বর বলেন জুলাইয়ের স্মৃতি ও ইতিহাস মলাটবদ্ধ করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আবার যদি বাংলাদেশে কোন শাসক ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে চায় তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রজন্ম যাতে জুলাইয়ের ইতিহাস ও স্পৃষ্টকে ধারণ করে কথা বলতে পারে৷ তিনি বলেন এই বইয়ের বিশেষ দিক হলো চট্টগ্রামের ১৬ জন শহিদদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে এবং ১-৩৬ জুলাই চট্টগ্রামের আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে। 

পরিশেষে তিনি এই বইয়ের লেখক, সম্পাদকীয় উপদেষ্টা,  সম্পাদনা সহযোগীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানান।


এসআই/দক্ষিণপূর্ব

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।