প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছ থেকে একনজর দেখতে চট্টগ্রাম নগরের রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল এলাকায় জড়ো হয়েছেন নানা বয়সী মানুষ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকেই ঐতিহাসিক এই পূজামণ্ডপের আশপাশে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। কারও চোখে প্রিয় নেতাকে দেখার উচ্ছ্বাস, কারও মনে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান, আবার কারও প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজেদের চাওয়ার কথা তুলে ধরা।
সন্ধ্যায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখান থেকে তিনি জেএম সেন হলের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে বিকেল থেকেই হলের আশপাশে অবস্থান নিতে থাকেন উৎসুক জনতা। তাঁদের মধ্যে কেউ কাজ থেকে ছুটি নিয়ে এসেছেন, কেউ এসেছেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের স্মৃতি বুকে নিয়ে। আবার কেউ এই সফরকে দেখছেন নিজেদের প্রত্যাশা জানানোর একটি সুযোগ হিসেবে।
নগরের চকবাজারের দিনমজুর রহমত মিয়া তাঁদেরই একজন। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে বিকালে কাজ শেষে জেএম সেন হল এলাকায় এসেছেন তিনি।
রহমত বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেখার জন্য তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে চলে এসেছি । বিকেল থেকে এখানে এসে দাঁড়িয়ে আছি। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখে বাড়িতে যাব।’
নগরের ব্যাটারি গলি থেকে থেকে আসা দীপিকা সেন অপেক্ষার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার স্মৃতি। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। এখন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে একনজর দেখতে এসেছি।’
তবে সবার আগ্রহ শুধু প্রধানমন্ত্রীকে দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই সফর ঘিরে রয়েছে বিশেষ প্রত্যাশাও। তাঁদেরই একজন সমীর কান্তি নাথ । তিনি মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।
সমীর কান্তি নাথ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। আমাদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়নেও সরকার উদ্যোগ নেবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে দুর্গাপূজায় আসছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের চাওয়া, একটি আধুনিক মন্দির।’
আরএইচ/
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।