আটক আজিজুর রহমান বিমানবন্দরসংলগ্ন নিজাম মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে উদ্ধার করা মালামালসহ তাকে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পতেঙ্গা মডেল থানায় চুরির মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে টহল দেওয়ার সময় আনসার সদস্য সাদাম হোসেন ও এপিসি জাহাঙ্গীর হোসেন সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করেন। তাদের ধাওয়া করলে দুজনই ঘন জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে বিভিন্ন ধরনের তার ও চুরির সরঞ্জাম ফেলে যায় তারা।
ঘটনার পর আনসার সদস্য সাদাম হোসেন মুঠোফোনে আনসার ক্যাম্প ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা শাখাকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. বাদশা ফয়সাল নিরাপত্তা শাখার সাতজন সদস্য, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্সের (টাস্কফোর্স) পাঁচজন সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ১৫ জন সদস্যকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
একই সময়ে ই/এম শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী পলাশ পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সহযোগিতায় এরোনেসের ৫ থেকে ১০ জন কর্মী ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাকর্মীদের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়।
এদিকে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. বাদশা ফয়সাল মুঠোফোনে বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নূর হোসেনকে ঘটনাটি জানান। পরে পরিচালক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এরপর অনুসন্ধান দলটি ঘন জঙ্গলের মধ্যে অন্ধকারে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর এক সন্দেহভাজনকে আটক করতে সক্ষম হয় দলটি। পরে উদ্ধার করা মালামালসহ তাকে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।