এ সিদ্ধান্তের আওতায় রয়েছেন জনতা ব্যাংকের এমডি মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের এমডি কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ বিষয়ে পৃথক চিঠি জারি করা হয়।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক-১ শাখার চিঠিতে বলা হয়েছে, জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমানের সঙ্গে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে সরকারের সুপারিশ ও সম্মতি দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে রূপালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলেও সম্মতি জানিয়েছে সরকার।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিপত্রের বিধান অনুযায়ী তাঁদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে পরবর্তী বিধিগত কার্যক্রম নিতে হবে।
এ জন্য দুই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
তবে দুই ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের সিদ্ধান্তের কারণ কিংবা তাঁদের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের বিষয়ে চিঠিতে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।