দক্ষিণ পূর্ব

দুর্গোৎসবে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন: অর্থমন্ত্রী

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৪৭ সকাল
পঠিত : ১৮
দুর্গোৎসবে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন: অর্থমন্ত্রী

ছবি

Degchibarictg

শারদীয় দুর্গোৎসবে সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, তা বাস্তবায়নে গত আট মাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সরকার।

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত সমাবেশে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এবারের দুর্গোৎসবে ভিন্নধর্মী পরিবেশ দেখা যাচ্ছে। শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই নন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজকর্মী, পেশাজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও উৎসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। পূজার দুই সপ্তাহ আগেই জেএম সেন হল এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যা আগে খুব একটা দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, এবারের উৎসবে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষণীয়। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের এই অংশগ্রহণ জাতীয় ঐক্যের একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। সমাজ ও রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের কারণেই এমন ঐক্যবদ্ধ পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত নির্বাচনের পর দেশের সমাজ ও রাষ্ট্রে পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় হলো পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়া। কোনো রাষ্ট্র যদি তার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, তবে সেটি আধুনিক রাষ্ট্র হয়ে উঠতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, অতীতে দেশে মানুষের জীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল এবং ভিন্নমতের সুযোগও সীমিত ছিল। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এবারের দুর্গোৎসবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ সেই ঐক্যেরই প্রতিফলন।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির কথা তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, এ বছর ৪১ লাখ গৃহকর্ত্রীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ কর্মসূচিতে ধর্ম বা বর্ণের ভিত্তিতে কোনো বিভাজন থাকবে না। হতদরিদ্র থেকে শুরু করে প্রাপ্যতার ভিত্তিতে উপকারভোগীরা এই সুবিধা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং কারা এই সহায়তা পাওয়ার যোগ্য, সেটিই বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও পথশ্রমিকদের জন্য সরকার অনুদান দিচ্ছে। এসব সহায়তা কোনো একটি ধর্মের জন্য নয়; বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

জেলেদের সহায়তার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, মাছ ধরতে না পারার সময়ে জেলেদের জন্য চাল বরাদ্দ এবার বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। এতে জেলেদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে এবং তাঁদের মুখে হাসি ফুটেছে।

আরএইচ 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।