পাকিস্তান নতুন ফাতাহ-২ ইআর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর দাবি, পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। সামরিক প্রযুক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জানায়, নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত নির্ভুলভাবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। মাঝ আকাশে গতিপথ পরিবর্তনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি প্রতিপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে বলেও দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা বেশি হওয়ায় শত্রুপক্ষের দূরবর্তী ও গভীর অবস্থানে থাকা স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো সম্ভব হবে।
এর আগে গত সপ্তাহে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ফাতাহ-৬ স্থল থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় পাকিস্তান। ওই পরীক্ষাও সফল হয়েছিল বলে জানিয়েছিল দেশটির সেনাবাহিনী।
বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতে ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার সামরিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতেও ড্রোনের সঙ্গে ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
ইরান থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।
পাকিস্তানের সর্বশেষ এই পরীক্ষা দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা উন্নয়নের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।