দক্ষিণ পূর্ব

প্রধানমন্ত্রীর আগমনে জে এম সেন হল ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:২১ সকাল
পঠিত : ২৬
প্রধানমন্ত্রীর আগমনে জে এম সেন হল ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

গতকাল তোলা। ছবি দক্ষিণপূর্ব

Degchibarictg

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর আগমন ঘিরে নগরজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সাজানো হচ্ছে সড়ক, জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

স্থানীয় আয়োজক ও কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন সরকারপ্রধান চট্টগ্রামে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে আসছেন।

সোমবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জে এম সেন হল এলাকায় নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আয়োজক কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়াকে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতেও দেখা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরের কাজীর দেউড়ি, জামালখান, রহমতগঞ্জ ও আন্দরকিল্লা এলাকার সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। সড়ক বিভাজকে দেওয়া হয়েছে নতুন রং। অপসারণ করা হয়েছে অনুমোদনহীন পোস্টার ও ব্যানার। ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদেও অভিযান চালানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠকও করবেন বলে কর্মসূচিতে উল্লেখ রয়েছে।

নগরের দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র জে এম সেন হল। প্রতিবছর এখানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ বিরাজ করছে।

মণ্ডপের এক ভক্ত সুস্মিতা দাস বলেন, ‘চট্টগ্রামে আমাদের পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী আসছেন, এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। তাঁর এই আগমন সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

 চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। তবে মণ্ডপের ভেতরে জায়গা সীমিত হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে নির্ধারিত ৩০০ জন অতিথির বেশি কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব হবে না।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদাপোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে।

আরএইচ 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।