দক্ষিণ পূর্ব

এক যুগের অবহেলা, আর না- চান্দগাঁও আবাসিকের ভাঙা রাস্তা নিয়ে জামায়াতের মানববন্ধন

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬ ০৮:১৬ রাত
পঠিত : ৫
এক যুগের অবহেলা, আর না- চান্দগাঁও আবাসিকের ভাঙা রাস্তা নিয়ে জামায়াতের মানববন্ধন

ছবি

Degchibarictg

চট্টগ্রাম নগরীর অভিজাত আবাসিকের তকমা গায়ে লেগে আছে চান্দগাঁও আবাসিকের, কিন্তু ভেতরের রাস্তাগুলো যেন এক যুগ ধরে মরণফাঁদ। এক পশলা বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি, কাদা আর ভোগান্তি এই এলাকার পরিণতি। 

 

অভিজাত আবাসিকের বেহাল দশা থেকে মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নামল চট্টগ্রাম নগরীর ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ড বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

চান্দগাঁও আবাসিক বি ব্লক ১৪ নং সংলগ্ন রাস্তা সংস্কারের দাবিতে আয়োজিত মানবন্ধনে তারা অভিযোগ করেন, ১৪ নং গ্যারেজ থেকে চন্দ্রিমা আবাসিক পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘ এক যুগ ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে। এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন হাজেরা তজু কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো ছাত্র-ছাত্রী যাতায়াত করে। বৃষ্টি নামলেই পানি জমে চলাচল অচল। গর্ভবতী নারী, রোগীসহ প্রায় ১৫ হাজার মানুষের আবাসিক এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত ঢুকতে পারে না—এমন দাবি করেন স্থানীয়রা।

 

বক্তারা বলেন, 'চান্দগাঁও আবাসিক নগরীর অন্যতম অভিজাত এলাকা। অথচ সিটি করপোরেশন উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই এলাকার প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। ট্যাক্স নিচ্ছে, সেবা দিচ্ছে না।'

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি তারা অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগেই এই রাস্তাসহ ৪ নং ওয়ার্ডের সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার করুন। এক যুগ পেরিয়েছে, আরও এক যুগ অপেক্ষা করার মতো ধৈর্য বাসিন্দাদের নেই।

 

ওয়ার্ড আমীর মো. ওমর গনির সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা নুরুল আবছারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াত মনোনীত ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী রইছুর রহমান চৌধুরী তিতু।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আল হেলাল আদর্শ ডিগ্রী কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ইসমাইল, সাবেক সেনা কর্মকর্তা এস এম ইউসুফ, চান্দগাঁও আবাসিকের বাড়িওয়ালা জহির উদ্দিন বাবর, ৪ নং ওয়ার্ডের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য রকিবুল হাকিম, আব্দুল আহাদ, আলমগীর হোসাইন, জামায়াত নেতা খোরশেদ আহমেদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

 

মানববন্ধরে স্থানীয় বাড়িওয়ালা জহির উদ্দিন বাবর বলেন, 'আমরা নিয়মিত কর দিই, ভোট দিই। বিনিময়ে হাঁটুপানি আর কাদা পাই। এটা কি বৈষম্য না?'

 

অধ্যাপক ইসমাইল বলেন, 'শিক্ষার্থীরা বই-খাতা হাতে কাদা মাড়িয়ে ক্লাসে যায়। অভিভাবকরা প্রতিদিন আতঙ্কে থাকেন। নগর উন্নয়নের নামে যদি একটি অভিজাত আবাসিকই বাদ পড়ে, তাহলে সেই উন্নয়ন প্রশ্নবিদ্ধ।'

 

আরএইচ

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।