দক্ষিণ পূর্ব

আজ হামজার জন্মদিন, গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে জয়ে রাঙাতে পারবে বাংলাদেশ?

Jobaer Raihan Jihan
প্রকাশ : ১ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:৪০ সকাল
পঠিত : ২২
আজ হামজার জন্মদিন, গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে জয়ে রাঙাতে পারবে বাংলাদেশ?

হামজা চৌধুরী

স্পোর্টস্ ডেস্ক

শেষ মুহূর্তে ভারত সরে দাঁড়ানোয় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলার সুযোগটা পেয়ে যায় বাংলাদেশ। খেলার সুযোগ পেলেও মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে হামজাদের। যদিও গ্রুপপর্বেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে থমাস ডুলির দলকে। গ্রুপ পর্বের বাকি তিন দল— মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে ঢের পিছিয়ে বাংলাদেশ। ফলাফলটাও প্রত্যাশিত। 

এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচ খেললেও জয়ের মুখ দেখেনি বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারতে হয়েছে। টানা হারে ইতোমধ্যেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। 

আজ গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে কেবল নিয়মরক্ষার ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এদিকে, আজ আবার বাংলাদেশর ফুটবলের ‘পোস্টারবয়’ হামজা চৌধুরীর ২৯ তম জন্মদিন। ইংল্যান্ড প্রবাসী এই ফুটবলার লাল-সবুজের জার্সি গায়ে চাপানোর পর থেকে দলের চেহারাই যেন বদলে গেছে। তার পথ ধরে এরই মধ্যে বাংলাদেশে নাম লিখিয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলার। তাদের ঘিরে নতুন দিনের স্বপ্ন দেখছে সমর্থকরাও। আজ কি সতীর্থরা পারবে হামজার বিশেষ দিনটা জয়ে রাঙাতে? 

এই ম্যাচেও অবশ্য ফেভারিট ইন্দোনেশিয়া। ৬ বারের দেখায় ৪ বারই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। এরপরও বাংলাদেশ কোচ আশাবাদী। তার প্রত্যাশা, শিষ্যরা নিজেদের শেষ ম্যাচে শতভাগ উজাড় করে দিয়ে খেলবে। 

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ডুলি বলছিলেন, “ফুটবলে মনস্তত্ত্ব খুব বড় ভূমিকা রাখে। আমরা যদি মাঠে গিয়ে বলি— ‘আমরা সবাইকে হারিয়ে দেব’, তবে প্রতিপক্ষ আরও সতর্ক হয়ে মাঠে নামবে এবং আমাদের সীমা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। আমরা কী বলেছি বা কী করেছি তা নিয়ে বাইরে কেন এত মিথ্যা গুঞ্জন ছড়ায়, তা আমার বোধগম্য নয়। বাতাসে ভেসে বেড়ানো সব কথায় কান দেবেন না।”

বাংলাদেশ কোচ আরও বলেন, ‘আপনারা আমার মুখ থেকে কী শুনতে চান? আমি কি বলব যে আমরাই ফেভারিট? আমরা কালকের ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে ভালো দল এবং ওদের হারিয়ে দেব— এটা বলব? নাকি মিডিয়ার সামনে নিজেদের ‘আন্ডারডগ’ দাবি করে সুযোগটা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যাতে প্রতিপক্ষ ভেবে বসে আমরা আগেই হার মেনে নিয়েছি! তারা যেন আমাদের হালকাভাবে নেয়, আর আমরা নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দিয়ে ওদের চমকে দিতে পারি! ফুটবলে এমন ঘটনা অহরহই ঘটে, যখন শক্তিশালী দল পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে না এবং একটি আন্ডারডগ দল ফেভারিট দলকে হারিয়ে দেয়।’

জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের উদাহরণ টেনে ডুলি যোগ করেন, ‘বায়ার্ন মিউনিখের কথাই ধরুন। জার্মানি বা পুরো ইউরোপে তাদের হারানো এক কথায় অসম্ভব। কিন্তু অনেক সময় দ্বিতীয় বিভাগের দলও ওদের হারিয়ে দেয়। কেন? কারণ বায়ার্ন হয়তো ওদের গুরুত্ব দিয়ে দেখে না, আর সেই সুযোগটাই ছোট দলগুলো নেয়।’

দক্ষিণপূর্ব/এসএস

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।