মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার উত্তর বন্দর তালতল এলাকার সামাজিক কবরস্থানের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত দিল মোহাম্মদ প্রকাশ দেলোয়ার কর্ণফুলী থানার ইছানগর এলাকার মৃত আলী আহমদের ছেলে। তিনি আনোয়ারার উত্তর বন্দর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হন দিল মোহাম্মদ। এরপর আর তিনি বাসায় ফেরেননি। সকালে স্থানীয়রা কবরস্থানের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সকালে কবর জিয়ারত করতে আসা এক যুবক প্রথম মরদেহটি দেখতে পান। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে কর্ণফুলী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রী শামীমা জানান, তিনি প্রায় দুই বছর ধরে কেইপিজেডে চাকরি করছেন। চাকরির সুবাদে পাশের একটি কলোনিতে ভাড়া বাসায় থাকেন তারা। তার স্বামী নিয়মিত বাসায় থাকতেন না। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং চুরি-ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও দাবি করেন শামীমা।
তার ধারণা, কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর পর কেউ দিল মোহাম্মদকে হত্যা করে কবরস্থানের পাশে মরদেহ ফেলে রেখে যেতে পারে।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমেদ জানান, সকালে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং যুবকের মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
আর / দক্ষিণপূর্ব
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।