দক্ষিণ পূর্ব

গ্যাস সংকট কেটে গেলেও চট্টগ্রামে বাড়তি ভাড়া আদায়

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পঠিত : ২৬
গ্যাস সংকট কেটে গেলেও চট্টগ্রামে বাড়তি ভাড়া আদায়

ছবি : দক্ষিণপূর্ব

মিজানুর রহমান

চট্টগ্রাম নগরীতে গ্যাসের সংকট কাটলেও সেই সংকটকে পুঁজি করে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সিএনজিচালিত টেম্পু ও অন্যান্য গণপরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা নেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। এ নিয়ে চালক-সহকারীদের সঙ্গে যাত্রীদের বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, গ্যাস সংকটের সময় নগরের বিভিন্ন রুটে গণপরিবহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রবণতা দেখা দেয়। এখন কয়েকদিন ধরে গ্যাস স্টেশনগুলোতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও কিছু যানবাহনে আগের মতোই অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

নগরের চকবাজার এলাকার বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, আগে যে ভাড়া দিতে হতো, এখন অনেক ক্ষেত্রে তার দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। বহদ্দারহাট থেকে মার্কেট পর্যন্ত সবুজ টেম্পুর নির্ধারিত ভাড়া ১০ টাকা। কিন্তু মাঝপথে উঠলেও বা নামলেও যাত্রীদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এতে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীদেরও বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে শিক্ষার্থীরাও সমস্যায় পড়ছেন। সীমিত অর্থের মধ্যে চলতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে যাতায়াতের খরচ মেটাতে হচ্ছে।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্যাস সংকটের সময় নগরের বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হতো চালকদের। অনেক ক্ষেত্রে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও গ্যাস পাওয়া যেত না। ফলে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীদের অপেক্ষার সময়ও বেড়ে যায়।

তবে গত কয়েকদিন ধরে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বিভিন্ন গ্যাস স্টেশনে আগের মতো দীর্ঘ লাইনও দেখা যাচ্ছে না। চালকরাও স্বাভাবিকভাবে গ্যাস নিতে পারছেন বলে জানা গেছে।

এরপরও গ্যাস সংকটের বিষয়টি দেখিয়ে কিছু সিএনজিচালিত যানবাহনে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। নির্ধারিত ভাড়া দিতে চাইলে অনেক সময় চালক ও সহকারীদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হচ্ছে।

এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, “এভাবে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

চট্টগ্রাম বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (আদালত-১২) ফাহ্ মিদা মুস্তফা বলেন, নগরের বিভিন্ন রুটে গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায় কিংবা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

 আরএইচ

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।