দক্ষিণ পূর্ব

চট্টগ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:৩৮ বিকাল
পঠিত : ৬০
চট্টগ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

চট্টগ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) গ্রেপ্তার করেছে আকবরশাহ থানা পুলিশ। 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরের আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনির আই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় নুরুন্নবী মুন্না ও পারভীন আক্তারকে অবরুদ্ধ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গ্রেপ্তার পুলিশ কর্মকর্তা হলেন মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্না। তিনি বর্তমানে ডিএমপিতে এএসআই হিসেবে কর্মরত। অপর আসামি কাজী পারভীন আক্তার চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তার স্বামী মো. জহির শাহ সৌদি আরবপ্রবাসী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী জহির শাহ ২০১৮ সাল থেকে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। নুরুন্নবী মুন্না এর আগে আকবরশাহ থানায় কর্মরত থাকার সুবাদে ২০২১ সাল থেকে জহিরের বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে জহিরের স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নুরুন্নবী ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে রাতযাপন করেন এবং পারভীনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এ ছাড়া দুজনের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে প্রবাসী জহিরের বিদেশ থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১৫ লাখ টাকা সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। এসবের আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর প্রবাসী জহির শাহের ভাই বাদী হয়ে আকবরশাহ থানায় ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে মামলা করেন।

বৃহস্পতিবার ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে থানায় নিয়ে আসে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আর / দক্ষিণপূর্ব 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।