নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতীক 'দাঁড়িপাল্লা' পাহাড়ি-বাঙ্গালী, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের আশা ভরসা, আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমীর এস এম আব্দুস সালাম আযাদ। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এখন জনগণের দলে পরিণত হয়েছে।
রবিবার (৬ জুলাই) চট্টগ্রামের একটি রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে চট্টগ্রামে অবস্থানরত বান্দরবান জেলার সকল ছাত্র-জনতা নিয়ে আয়োজিত বান্দরবান ৩০০ নং আসনের জামায়াত প্রার্থী এড. আবুল কালামের নির্বাচনী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে আইনজীবী এড. ইব্রাহিম মোজাহিদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দক্ষিণ জেলার সি.সহ-সভাপতি ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা রফিক বশরী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম আজাদ।
জেলা আমীর বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গণতান্ত্রিক দল। ফ্যাসিস্ট সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। এগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য দেশে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করুন।
তিনি বলেন, বান্দরবান জামায়াতে ইসলামী পাহাড়ি-বাঙ্গালীর সম্প্রীতি স্থাপনে কাজ করে যাচ্ছে। পাহাড়ি-বাঙ্গালিরা জামায়াতকে আপন করে নিয়েছে। পাহাড়িরা ক্লিন ইমেজের প্রার্থী এড. আবুল কালামকে ভোট দেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। তিনি জানান, আমরা যখন পাহাড়িদের কাছে যায়, তখন তারা বলে জামায়াত দুর্নীতি করে না, চাঁদাবাজি করে না, তারা সৎ লোক,আমরা তাদেরকে ভোট দিবো।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রফিক বশরী বলেন, এড. কালাম সাহেব ভালো মানুষ, সৎ মানুষ। কালাম সাহেবকে নির্বাচিত করতে পারলে বান্দরবানের মানুষ শান্তিতে থাকবে। বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদের উন্নয়ন হবে। পার্বত্য এলাকার সম্প্রীতি, শান্তি স্থাপন ও উন্নয়নে এড. আবুল কালামের বিকল্প নাই। তাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করার জন্য সমবেত সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তৌহিদ আজাদ বলেন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা কে বিজয়ী করার জন্য আমরা বান্দরবানের ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ। দাঁড়িপাল্লা কে বিজয়ী করতে পারলে বান্দরবানে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজের জায়গা হবে না। তাই দলমত নির্বিশেষে বান্দরবানে জামায়াতে ইসলামীকে বিজয়ী করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে যেতে হবে।
এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম কলেজ, ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসার ছাত্রসহ চট্টগ্রামে কর্মরত চাকরিজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
/রহা
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।