চট্টগ্রামের হালিশহর বিআরটিএ কার্যালয় ও এর কর্মকর্তাদের নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদকে ‘বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়াচ্ছে।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বিআরটিএ কার্যালয়ে যানবাহনের নিবন্ধন, রুট পারমিট, ফিটনেস সনদ ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সেবা সরকারি নির্ধারিত নিয়ম ও ফি অনুযায়ী দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের সেবা সহজ করতে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালু রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, কার্যালয়ে দালালদের দৌরাত্ম্য কিংবা অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের কোনো সুযোগ নেই। স্লিপার বাসের অনুমোদন, গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন এবং সিএনজি অটোরিকশা প্রতিস্থাপনকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্যের যে অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে, তা ‘মনগড়া ও ভিত্তিহীন’।
এ ছাড়া রাজনৈতিক সংযোগ ও কর্মকর্তাদের বদলি সংক্রান্ত বিষয়কে টেনে এনে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও প্রতিবাদলিপিতে অভিযোগ করা হয়।
কর্তৃপক্ষের দাবি, যথাযথ তথ্য-প্রমাণ যাচাই না করে কেবল লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা ভবিষ্যতে তথ্য যাচাই ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।