রাঙামাটি প্রতিনিধি
কোরবানীর পশুর হাট ঘিরে চাঁদাবাজি বন্ধে অনন্য ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে রাঙামাটির পুলিশ। কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ নিজে নেতৃত্ব দিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নিন্ম আয়ের খেটে খাওয়া মানুষদের চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষায় পাহারা দিচ্ছেন। পুলিশের এমন উদ্যোগে প্রশংসা করছেন ব্যবসায়ি থেকে শুরু করে চালক-শ্রমিক সকলেই।
কোরবানীর ঈদ এলেই সাধারণত সারাদেশেই পশুর হাটগুলো ঘিরে চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্মের খবর পাওয়া যায়। রাঙামাটিতেও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে এবার রাঙামাটির পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন তার আওতাধীণ পুলিশ কর্মকর্তাদের এবিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি চাঁদাবাজ ও বিশেষ দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের সার্বিক সহায়তায় মাঠে নেমেছে রাঙামাটির কোতয়ালী থানা পুলিশ।
শনিবার (৩১ মে) দুপুরে রাঙামাটি পৌর ট্রাক টার্মিনালে কোরবানীর পশুর হাট ও কাচাঁমাল লোড-আনলোডের সময় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সহিদ উদ্দিন পুলিশ সদস্যদের নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিক ও চালক-শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কথা মাইকিং করে জানিয়ে দেন।
ওসি বলেন, এই ট্রাক টার্মিনাল শ্রমিকদের নিজস্ব জীবিকা নির্বাহের অন্যতম মাধ্যম। কোনো বিশেষ গোষ্টি বা দলের পক্ষ থেকে বাহির থেকে কেউ এসে গরুর হাট এবং টার্মিনালে চাঁদাবাজি করবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশ বা নিরাপত্তাবাহিনীর নাম ভাঙ্গিয়ে যে বা যারা কোনো ধরনের অপকর্ম করলে তাদের পরিচয় পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানিয়ে চাঁদাবাজ ও অপকর্মকারিদের বিরুদ্ধে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানান ওসি।
তিনি বলেন, রাঙামাটির পুলিশ সুপার নিজেই প্রতিনিয়ত কোরবানীর পশুর হাটসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তারই প্রত্যক্ষ পরিচালনায় পুলিশের প্রত্যেক সদস্য রাঙামাটিবাসীর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত ও নিরাপদ রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপকর্মকারীদের কোনো ধরনের ছাড় দেবে না কোতয়ালী থানা পুলিশ।
এএম/এমএইচএফ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।