রোববার (১১ অক্টোবর) নগরীর কোতোয়ালী, খলিফাপট্টি, আবেদিন কলোনি, চকবাজার কাঁচাবাজার ও পাহাড়তলীর বিটাক এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট সাতটি ভবন পরিদর্শন করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সিডিএ সূত্র জানায়, পরিদর্শনকালে অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত ভবনের বর্ধিত অংশ ভেঙে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ভবনমালিকদের ভবিষ্যতে সিডিএর অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে নির্মাণকাজ চালানোর লিখিত অঙ্গীকারনামা দিতে বলা হয়।
অভিযানে চকবাজারের আবেদিন কলোনিতে একটি ভবনে বড় ধরনের অনিয়মের চিত্র উঠে আসে। আটতলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন থাকলেও সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১১ তলা। পরিদর্শনের সময় ভবনটির মালিক বা তাঁর কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।
এ ছাড়া ভবনটিতে অস্থায়ী নির্মাণকাজের জন্য নেওয়া বিদ্যুৎ মিটারের মাধ্যমে বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। সেখানে কয়েকটি পরিবার বসবাস করায় মানবিক বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে ভবনটি সিলগালা করা হয়নি। তবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সহায়তায় এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিডিএর প্রধান বিশেষ মহানগর হাকিম ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুর হাসান। তিনি সিডিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং ভবন নির্মাণ কমিটি-২-এর সভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। অভিযানে সিডিএর অথরাইজড অফিসার-২ তানজীব হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের মো. মঞ্জুর হাসান বলেন, অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে সিডিএর অবস্থান কঠোর। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সিডিএর অথরাইজড অফিসার-২ তানজীব হোসেন বলেন, চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। নগরের সব স্থাপনা আইন ও বিধিবিধানের আওতায় আনতে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনটি বিশেষ অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবন নির্মাণ শুরুর আগে মালিকদের সিডিএর অনুমোদিত নকশা অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।
অভিযানে সিডিএর সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. ইলিয়াস আখতার ও মো. হামিদুল হক, ভবন পরিদর্শক মো. তোফায়েল হোসেন, বিমান বড়ুয়া, আবু জাফর ইকবাল, গৌরাঙ্গ চন্দ্র পাল, জোবায়ের ইবনে আনোয়ার ও মো. সাইদুর রহমান, অফিস সহকারী মিঠু কুমার চৌধুরী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।