জাতীয় পর্যায়ে পরিচালিত যৌথ স্বাধীন ইপিআই পর্যালোচনা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি ও রোগ নজরদারি কার্যক্রমের বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল।
রোববার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং আনোয়ারা উপজেলায় দিনব্যাপী এ পর্যালোচনা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

পর্যালোচনা দলে ছিলেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সরওয়ার মাহবুব, বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. শেখ সফিকুল ইসলাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইমানুয়েল এনজামবে, ডা. সুজিত কুমার পাল, ডা. ইমং প্রু চৌধুরী ও ডা. এফ এম জাহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া ইউনিসেফের জর্জ মুইনিয়া ও মো. জাহিদ হোসেন শাহেদ, গ্যাভির ভিক্টর রেনো, চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশ্মি চাকমা এবং চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমাইল পর্যালোচনা কার্যক্রমে অংশ নেন।
পর্যালোচনা কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সাজেদুর রহমান এবং ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সৌনম বড়ুয়া। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম সমন্বয় করেন জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট জয়নব বেগম এবং আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।
পর্যালোচনা দলের সদস্যরা মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, টিকাদান কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট ইউনিট পরিদর্শন করেন। এ সময় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির বাস্তবায়ন, টিকাদান প্রতিরোধযোগ্য রোগের নজরদারি, তথ্য সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন তৈরির পদ্ধতি, শীতল শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা, টিকা সংরক্ষণ, চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান মূল্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি তথ্যের যথার্থতা ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিও পর্যালোচনা করেন তাঁরা।
পরিদর্শন শেষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচির সামগ্রিক অগ্রগতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় পর্যালোচনা দলের সদস্যরা আনোয়ারা উপজেলার টিকাদান ও রোগ নজরদারি কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
আর/ দক্ষিণপূর্ব
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।