দক্ষিণ পূর্ব

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল-পিএইচডি চালু

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
পঠিত : ২০
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল-পিএইচডি চালু

ফাইল ছবি

দেশের মাদরাসা শিক্ষাকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন পর্যায়ে নিতে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত ফরমে আবেদন করা যাবে।

 

রোববার (২৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদরাসা থেকে উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এ উদ্যোগ মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ সম্প্রসারণ করবে।

 

তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষাকে মূলধারার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের জ্ঞানচর্চাকে গবেষণামূলক কাঠামোয় রূপ দেওয়া সম্ভব হবে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রার্থীকে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাজিল (স্নাতক) অনার্স, ফাজিল (স্নাতক) পাস বা সমমান এবং কামিল (স্নাতকোত্তর) বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর, জিপিএ-৫ স্কেলে ৩.৫০ অথবা সিজিপিএ-৪ স্কেলে ৩.০০ পেতে হবে। এছাড়া দাখিল ও আলিম বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ-৫ স্কেলে ৩.৫০ থাকতে হবে।

 

বিদেশি শিক্ষার্থী বা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারীদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট সমতা বিধান কমিটির মাধ্যমে সনদের সমতা নিশ্চিত করতে হবে।

 

এমফিল প্রোগ্রামের মেয়াদ দুই বছর। প্রথম পর্বে কোর্সওয়ার্ক এবং দ্বিতীয় পর্বে গবেষণাভিত্তিক থিসিস সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর প্রার্থীদের লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

 

গবেষণায় উৎসাহ দিতে প্রতি শিক্ষাবর্ষে এমফিল প্রথম পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতে মেধাতালিকা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ জন গবেষককে ফেলোশিপ বা বৃত্তি দেওয়া হবে। তবে গবেষকের সংখ্যা ও অন্যান্য বিবেচনায় এ সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে।

 

এমফিল গবেষকদের পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়ন করতে হবে। চাকরিজীবী প্রার্থীদের আবেদনপত্রের সঙ্গে নিজ প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) জমা দিতে হবে। ফেলোশিপপ্রাপ্ত গবেষকদের কোর্স চলাকালে পূর্ণকালীন ছুটিতে থাকতে হবে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের কমপক্ষে এক বছরের ছুটি নিয়ে এ প্রোগ্রামে যোগ দিতে হবে।ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া যাবে।

 

আরএইচ

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।