প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিত, ভিক্ষুসহ ধর্মীয় ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমও উদ্বোধন করা হয়।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ভার্চুয়ালি যুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষক ও উপকারভোগীদের মধ্যে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়।
এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন উপজেলার কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য বিভিন্ন কার্ড ও সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন সহায়তা সহজে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষক কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়। এর মাধ্যমে কৃষকদের সরকারি সেবা ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল হবে। সরকারের জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির সুফল যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরাসরি পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যে হাটহাজারীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নানা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে একটি সমৃদ্ধ, আত্মমর্যাদাশীল ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, ‘কথা কম, কাজ বেশি’—এই নীতিতে সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের প্রতিটি সংসদীয় আসনসহ সারাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএম, চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আপ্রু মারমা এবং হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন।
এ সময় হাটহাজারী উপজেলার উপকারভোগী, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।