দক্ষিণ পূর্ব

চট্টগ্রামেই চালু হচ্ছে সাইবার ফরেনসিক ল্যাব, উদ্বোধন বুধবার

দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক
দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:২৮ দুপুর
পঠিত : ৩৬
চট্টগ্রামেই চালু হচ্ছে সাইবার ফরেনসিক ল্যাব, উদ্বোধন বুধবার

ছবি সংগৃহীত

Degchibarictg

সাইবার অপরাধের ডিজিটাল আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণের জন্য চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষায়িত ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব। নতুন এই ল্যাব চালু হলে সাইবার অপরাধের তদন্তে ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণের জন্য ঢাকানির্ভরতা কমবে। এতে তদন্তের গতি বাড়ার পাশাপাশি অপরাধ শনাক্তকরণেও নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ল্যাবটির উদ্বোধন করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং, অনলাইন আর্থিক প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইলিং, ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধের তদন্তে ডিজিটাল আলামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব অপরাধের তদন্তে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, হার্ডডিস্ক ও মেমোরি কার্ডের তথ্য বিশ্লেষণ করে অপরাধ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র পাওয়া যেতে পারে।

নতুন ল্যাব চালু হলে চট্টগ্রাম অঞ্চলে উদ্ধার করা ডিজিটাল আলামত স্থানীয় পর্যায়েই পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে আলামত বিশ্লেষণের জন্য ঢাকায় পাঠানোর প্রয়োজন কমবে এবং তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য পেতে সময় সাশ্রয় হতে পারে।

তবে ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে শুধু তথ্য উদ্ধার করাই যথেষ্ট নয়। আলামত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ, তথ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখা এবং আদালতে উপস্থাপনের উপযোগী প্রতিবেদন তৈরি করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে যথাযথ প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হারুনুর রশীদ রুবেল বলেন, ডিজিটাল আলামত উদ্ধার করাই তদন্তের শেষ কথা নয়। আলামত যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখা এবং আদালতে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে প্রতিবেদন তৈরি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা ও মানসম্মত কার্যপদ্ধতি নিশ্চিত করা গেলে ল্যাবটি সাইবার অপরাধের তদন্তে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

সাইবার অপরাধের ঘটনায় ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের অপরাধের শিকার হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হুমকির বার্তা, কথোপকথন, লেনদেনের তথ্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। এসব তথ্য অপরাধ তদন্তে সহায়ক হতে পারে।

আর /দক্ষিণপূর্ব 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।