চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান আন্দোলন ও প্রশাসনিক অচলাবস্থার মধ্যে যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আরাফাত রহমান রানাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন তাঁরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ না করে অধ্যাপক আরাফাত রহমানের কিছু কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসে চলমান সংকট আরও জটিল করেছে। বিশেষ করে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় ছাড়াই বিতর্কিত হিসেবে উল্লেখ করা শরীফ স্যার এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এতে তাঁর ভূমিকা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, সায়েম স্যারকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলন কেবল একজন উপাচার্যকে পদে ফিরিয়ে আনার বিষয় নয়। তাঁদের মতে, এ আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্বাভাবিকতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মর্যাদা, স্বচ্ছতা এবং ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন জড়িত।
অধ্যাপক আরাফাত রহমানের বিরুদ্ধে অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, তাঁর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় উপাচার্যের কার্যালয়সংলগ্ন ভবনে চিহ্নিত ও বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও শিক্ষার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অধ্যাপক আরাফাত রহমান রানাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
আর /দক্ষিণপূর্ব
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।