দক্ষিণ পূর্ব

ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রলীগ নেতার প্রার্থীতা বহাল

sathi
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৫
পঠিত :
ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রলীগ নেতার প্রার্থীতা বহাল
দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে চূড়ান্তভাবে ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর মোট ২৮ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। আর প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়া ১০ জন প্রার্থী আপিল না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক জসীম উদ্দীন এ তথ্য জানান।

এই তালিকায় স্বতন্ত্র ভিপি (সহ-সভাপতি) পদপ্রার্থী মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদারের প্রার্থিতাও বহাল রাখা হয়েছে। ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে তার ব্যালট নম্বর ২৬।

এর আগে অভিযোগ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনাল তার প্রার্থিতা বাতিলের সুপারিশ করেছিল। ট্রাইব্যুনালের দাবি ছিল, তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তার নাম ভোটার তালিকা থেকেও বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

তবে জুলিয়াস সিজার এই অভিযোগকে একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাল্টা আবেদন জমা দেন। তিনি জানান, তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করত এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করত।

শেষ পর্যন্ত তার আবেদন গ্রহণ করেছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকায় তার প্রার্থিতা বহাল রাখা হয়।

জুলিয়াস সিজার বলেন, তিনি ২০১৭ সালে ছাত্রলীগের পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে ২০১৯ সালে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে সম্মিলিত শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২০ সাল থেকেই ছাত্রলীগের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং তিনি ক্যাম্পাসে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। তার অভিযোগ, এ কারণেই বিভিন্ন সংগঠন তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরও জানান, ২০২০ সালে তিনি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা মঞ্চ’ প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৭০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর জটিল সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণই তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল।

জুলিয়াস সিজার দাবি করেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে তিনি সবসময় আন্দোলন করেছেন এবং সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলনে তার নেতৃত্বাধীন প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।