চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। শুভ মহালয়া উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ফটিকছড়ি উপজেলা কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপজেলা ও পৌরসভা শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মহালয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ফটিকছড়িতে সবাই যার যার ধর্ম পালন করবে।’
তিনি বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে সবাইকে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে হবে। উৎসবকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনাকে বরণ করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এতে বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা এবং পূজা উদ্যাপন পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি রতন কান্তি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় দেবনাথ জানান, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
পূজা উদ্যাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফটিকছড়িতে দুর্গাপূজার আয়োজন নিয়ে ৭৪টি পূজামণ্ডপের কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫২টি স্থায়ী ও ২৬টি অস্থায়ী মণ্ডপের উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া ভুজপুর থানার আওতাধীন সুয়াবিল ইউনিয়নের সাতটি মণ্ডপ উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সঙ্গে সমন্বয় করে পূজা উদ্যাপন করবে।
আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ২১ অক্টোবর বিকেলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
আর /দক্ষিণপূর্ব
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।