চবি প্রতিনিধি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার সকল স্তরে ইসলামী শিক্ষা সংযুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইসলামিক স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশন।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অংশ নেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাসহ অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “৯০ শতাংশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়া সত্বেও এ দেশে মুসলিমদের নানাভাবে কোণঠাসা করে রাখতে চায় একটি চক্র। নৈতিকতা ও মানবিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হতে প্রাথমিক শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার সকল স্তরে অতিসত্বর ইসলামী শিক্ষা সংযুক্ত করতে হবে। সরকার এ দাবি না মানলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।”
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. এনামুল হক বলেন, “ইসলাম শিক্ষাকে উৎখাত করার চেষ্টা বহু আগে থেকেই চালানো হয়েছে, বিশেষ করে ব্রিটিশ আমলে। স্বাধীনতার পরও ইসলামি শিক্ষা বা আরবি নামের কারণে এ শিক্ষাকে সংকুচিত করা হয়েছে। এখন কিছু অনুষ্ঠানে বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় ইসলাম শিক্ষাকে সামান্যভাবে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু সেটি যথেষ্ট নয়।ইসলাম শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।”
এ সময় তারা ছয়দফা দাবি তুলে ধরেন। এগুলো হলো- প্রাথমিক শিক্ষায় দ্রুত ‘ধর্মীয় শিক্ষক’ নামে একটি স্বতন্ত্র পদ সৃষ্টি করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে; সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম ও ২য় শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি নূরানী পদ্ধতিতে আরবি বর্ণমালা ও সহীহ কুরআন তেলাওয়াতের প্রাথমিক জ্ঞান বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে; এসএসসি ও এইচএসসিতে বিভাগীয় বিষয়গুলোর সাথে ইসলাম শিক্ষা বিষয় যুক্ত করতে হবে।
এবং দেশের স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সার্বিক অগ্রগতির স্বার্থে শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলাম শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে; প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ স্টাডিজ কোর্সের মত স্বতন্ত্র ইসলাম শিক্ষা কোর্স অপশনাল (ঐচ্ছিক) হিসেবে সংযোজন করতে হবে; আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এক বছরের ‘Diploma in Islamic Studies’ কোর্স চালু করতে হবে।
রহা
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।