চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পৃথক দুটি মন্দিরে চুরির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ পিতলের সামগ্রী, দুর্গামূর্তি, নগদ টাকা এবং চুরিতে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নগরের দুই নম্বর গেইট এলাকায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার দাউদকান্দির মো. ইউসুফ (৩২), ফটিকছড়ির উত্তর ধুরুং এলাকার মো. হাশেম (৪২), ফটিকছড়ি পৌরসভার উত্তর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার মো. সাহাব উদ্দিন (৪১) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা এলাকার রুহুল আমিন (২৯)।
পুলিশ জানায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোরে ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের সার্বজনীন শ্রীশ্রী শিব ও মগধেশ্বরী মন্দিরে চুরি হয়। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টার দিকে লেলাং ইউনিয়নের শ্রীশ্রী মা মঙ্গল চন্ডী মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পৃথক মামলা হলে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, তদন্তে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে চুরি হওয়া মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে তিনটি পিতলের ঘট, দুটি পঞ্চবটি প্রদীপ, দুটি ত্রিশূল, একটি পিতলের ঘণ্টা, ছয়টি সরই, ছয়টি স্টিলের প্লেট, দুটি চামচ, একটি বড় ঘট, দুটি কোষা, একটি বদনা, একটি কাঁসার গামলা, একটি গ্লাস, ছয়টি ছোট থালা, একটি আরতি স্ট্যান্ড, একটি দুর্গামূর্তি ও চারটি পিতলের বাটি।
এ ছাড়া প্রণামী বক্সের ১ হাজার ২০০ টাকা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরের দানবাক্সসহ অন্যান্য মালামাল চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।