ফটিকছড়িতে মশাল মিছিলের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ।
মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত রোববার রাতে ফটিকছড়ি থানায় মামলাটি করা হয়। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এর সংশোধিত ধারায় মামলাটি করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বক্তপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি এলাকায় সড়কে মশাল মিছিল হচ্ছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশ পৌঁছানোর পর মিছিলে অংশ নেওয়া কয়েকজন মশাল ও টায়ার ফেলে বিভিন্ন দিকে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পোড়া টায়ারের অংশবিশেষ ও বাঁশের তৈরি তিনটি মশাল জব্দ করেছে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সমর্থনে স্লোগান দেন এবং যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি, জনমনে আতঙ্ক ও নাশকতার উদ্দেশ্যে মিছিল করেন।
মামলায় ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজালাল জনি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাবেক আহ্বায়ক জুবাইদা সরোয়ার চৌধুরী নিপা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এম মোরশেদুল আলম ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের উপ পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক ইমতিয়াজ চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীর নাম রয়েছে।ফটিকছড়িতে মশাল মিছিলের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান বলেন, মামলার পর একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের পরিচয় ও ঠিকানা শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।