দক্ষিণ পূর্ব

বাঁশখালীতে নকল চকলেটের কারখানায় অভিযান, ৩ লাখ টাকা জরিমানা; জব্দ বিপুল পণ্য

দক্ষিণপূর্ব
দক্ষিণপূর্ব
প্রকাশ : ৫ নভেম্বর ২০২৬ ০৪:১২ দুপুর
পঠিত : ৩১
বাঁশখালীতে নকল চকলেটের কারখানায় অভিযান, ৩ লাখ টাকা জরিমানা; জব্দ বিপুল পণ্য

ছবি

Degchibarictg

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নকল চকলেট ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনের অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় কারখানাটিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ চকলেট, ক্যান্ডি, পণ্যের মোড়ক ও উৎপাদনসামগ্রী জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ইলশা এলাকার চুইরগ্গারো বাড়িতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমীন।

অভিযানে বিএসটিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন ও বিএসটিআইয়ের সনদ ছাড়াই ওই বাড়িতে কারখানা স্থাপন করে চকলেট, ক্যান্ডিসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। এসব পণ্যে ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য তৈরি এসব খাদ্যপণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

অভিযানকালে কারখানা থেকে পাঁচ কার্টন সফট ক্যান্ডি, পাঁচ লাখ পিস ওটস বার নাটসের প্যাকেট, এক লাখ ৪০ হাজার পিস পণ্যের মোড়ক এবং কুমারিকা তেল, ওট চকো সফট মিক্সড ফ্লেভার, সেলিবেস্ট কোকোনাট ফ্লেভার ক্যান্ডি ও ওটবার ক্রিসপি অ্যান্ড টেস্টিসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ও উৎপাদনসামগ্রী জব্দ করা হয়।

পরে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আরও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুই আইনে মোট ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

অভিযান শেষে ইউএনও মো. রুহুল আমীন বলেন, শিশুদের জন্য তৈরি খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অনুমোদনহীনভাবে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে জনস্বাস্থ্য, বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে ফেলার সুযোগ নেই। এ ধরনের অবৈধ কারখানা ও ক্ষতিকর খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আরএইচ 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।