দক্ষিণ পূর্ব

বিপিএল : শামীম ঝড়ের পরও হারলো চিটাগং

দক্ষিণপূর্ব
প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
পঠিত :
বিপিএল : শামীম ঝড়ের পরও হারলো চিটাগং

৫৬ রানে ৬ উইকেট নেই। সতীর্থদের এমন ব্যর্থতার দিনে সেখান থেকে একাই টানলেন শামীম পাটোয়ারি। তবে জেতাতে পারেননি। নিজে আউট হওয়ার পর খুলনার বিপক্ষে ৩৭ রানে হেরে বিপিএলে যাত্রা করেছে তার দল চিটাগং কিংস। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও ওপেনার অস্ট্রেলিয়ার উইলিয়াম বোসিস্টুর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৩ রানের সংগ্রহ করে খুলনা টাইগার্স। জবাবে ১৬৬ রানে অলআউট হয় চিটাগং কিংস।

২০৪ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৫৬ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চিটাগাং।  নাইম ইসলাম ১২, পারভেজ হোসেন ইমন ১৩, মোহাম্মদ মিথুন ৬, উসমান খান করেন ১৮ রান। এছাড়া রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান হায়দার আলি ও টম ও'কননেল। মোহাম্মদ ওয়াসিম ৮ ও শরীফুল ইসলাম ১ রান করে দ্রুতই ফিরে যান। 

তবে এমন বিপর্যয়ের মাঝেও একপ্রান্ত আগলে রেখে বিধ্বংসী ব্যাট চালান শামীম পাটোয়ারি। আর তাকে সঙ্গ দেন আলিস ইসলাম। ৩৮ বলে ৭৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেও শামীম পাটোয়ারি ফেরার পর দলীয় ইনিংস থামে ১৬৬ রানে। 

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে ভালো শুরু করেন খুলনা টাইগার্সের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও বোসিসতো। ২৭ বলে ৩৭ রানের জুটি গড়েন দু’জনে। জুটিতে ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করে চট্টগ্রামের স্পিনার অ্যালিস আল ইসলামের বলে আউট হন নাইম। 

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে খুলনার রানের চাকা সচল রাখেন বোসিসতো ও অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। জুটিতে হাফ-সেঞ্চুরি আসার পর বিচ্ছিন্ন হন তারা। চট্টগ্রামের পেসার খালেদ আহমেদের শিকার হবার আগে ১টি করে চার-ছক্কায় ১৮ বলে ১৮ রানে থামেন মিরাজ। 

দলীয় ৮৮ রানে মিরাজের বিদায়ের পর খুলনার মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটার আফগানিস্তানের ইব্রাহিম জাদরান ও আফিফ হোসেন দ্রুত বিদায় নেন। জাদরান ৬ ও আফিফ ৮ রান করেন। 

১৫তম ওভারে ১১৭ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের ক্রিজে আসেন উইকেটরক্ষক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। চট্টগ্রামের বোলারদের উপর চড়াও হয়ে ছক্কার বন্যা বইয়ে দেন অঙ্কন। ৫ ছক্কা ও ১টি চারে ১৮ বলে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অঙ্কন। বিপিএলে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির তালিকায় নাম তুলেন অঙ্কন।

৩৬ বলে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি করেন বোসিসতো। ইনিংসের শেষ ৩৫ বলে বোসিসতো ও অঙ্কনের ৮৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৩ রানের পাহাড় গড়ে খুলনা। 

৮টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫০ বলে অপরাজিত ৭৫ রান করেন বোসিসতো। অন্যপ্রান্তে ১টি বাউন্ডারি ও ৬টি ওভার বাউন্ডারিতে ২২ বলে ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন অঙ্কন।   
চট্টগ্রামের অ্যালিস ১৭ রানে ও খালেদ ৪৫ রানে ২টি করে উইকেট নেন।

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।