দক্ষিণ পূর্ব

বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় চুয়েটের ৬ শিক্ষক

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:০৪ বিকাল
পঠিত : ২৬
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় চুয়েটের ৬ শিক্ষক

ছবি

Degchibarictg

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয় শিক্ষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার যৌথভাবে এ তালিকা প্রকাশ করেছে।

এর আগে গত বছর চুয়েটের চার শিক্ষক এ তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। এবার নতুন করে আরও দুই শিক্ষক তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। স্থান পাওয়া ছয় শিক্ষকের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন রয়েছেন।

তালিকায় চুয়েটের শিক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী। ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে তাঁর অবস্থান ১ হাজার ৪১৮তম। তাঁর মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি।

একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিনের ৮৭টি গবেষণাপত্র রয়েছে। ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বে তাঁর অবস্থান ৪ হাজার ৫৪১তম। এ বিভাগের আরেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. মুক্তার হোসাইনের ৮১টি গবেষণাপত্র রয়েছে। একই উপক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান ৫ হাজার ১১৯তম।

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৩৪টি।

বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুমিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বে ৯৪১তম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট গবেষণাপত্র রয়েছে ২০টি।

এ ছাড়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল ভুইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৪৪টি।

স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের এ তালিকায় গবেষকদের মূল্যায়নে শুধু গবেষণাপত্রের সংখ্যা নয়, গবেষণার প্রভাব ও সাইটেশনকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্কোপাস ডেটাবেজে থাকা বিশ্বের বিপুলসংখ্যক গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে তালিকাটি তৈরি করা হয়।

সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে থাকা অথবা নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রে গবেষকদের মধ্যে শীর্ষ ২ শতাংশে অবস্থানকারী গবেষকদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মূল্যায়নের জন্য বিজ্ঞানজগতকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করা হয়েছে।

চুয়েটের ছয় শিক্ষকের এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক পরিসরে তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আর/দক্ষিণপূর্ব 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।