চট্টগ্রাম নগরের স্কুলকেন্দ্রিক যানজট কমাতে আল-হিদায়াহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলে (সিজিএস) বিভিন্ন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের চাপ কমাতে শ্রেণিভেদে ছুটির সময় আলাদা করার পাশাপাশি স্কুল বাস চালুর বিষয়ে একমত হয়েছে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
স্কুলকেন্দ্রিক যানজট নিরসনে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফলোআপ বৈঠক করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন।
এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটি পরিদর্শন করে যানজট নিরসনে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন কর্মপন্থা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন চউক চেয়ারম্যান। এর ধারাবাহিকতায় চউকের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের বৈঠকের পর ফলোআপ বৈঠকে অংশ নেন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তাঁরা গৃহীত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি চউক চেয়ারম্যানকে জানান।
বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটির প্রতিনিধিরা জানান, দুর্গাপূজার ছুটিতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে যানজট কমাতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত পরিবর্তন করা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময় শ্রেণিভেদে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে একই সময়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অতিরিক্ত যাতায়াতের চাপ কমবে এবং স্কুলকেন্দ্রিক যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল করতে স্কুল বাস কেনার বিষয়েও একমত হয়েছেন দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
চউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, নগরের যানজট নিরসনে হাসপাতাল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতিও নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুল ও আল-হিদায়াহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রতিনিধিরা আজকের বৈঠকে তাঁদের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে আমাদের অবহিত করেছেন। এর আগে প্রতিষ্ঠান দুটি পরিদর্শনের সময় যানজট নিরসনে বিভিন্ন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপন্থা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।’
চউক চেয়ারম্যান আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর সহযোগিতা এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্কুলকেন্দ্রিক যানজট কমিয়ে নগরের সামগ্রিক যান চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও ধারাবাহিক তদারকি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।