দক্ষিণ পূর্ব

১২ দিন পর উৎপাদনে ফিরল সিইউএফএল

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:৪৯ দুপুর
পঠিত : ১
১২ দিন পর উৎপাদনে ফিরল সিইউএফএল

চট্টগ্রাম

কারিগরি ত্রুটির কারণে ১২ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রায়ত্ত চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। 

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে কারখানাটিতে পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) উত্তম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ছয় মাস গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ থাকার পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর গ্যাস সরবরাহ পাওয়ায় সিইউএফএলে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। প্রথমে অ্যামোনিয়া প্ল্যান্ট চালু করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে ইউরিয়া উৎপাদনও শুরু হয়। তবে উৎপাদন শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ১৭ সেপ্টেম্বর ভোরে আবার কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

পরে ত্রুটি শনাক্ত করে মেরামতের কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১২ দিন পর মঙ্গলবার বিকেলে কারখানাটি পুনরায় উৎপাদনে ফেরে।

সিইউএফএল সূত্র আরও জানায়, উৎপাদন বন্ধ থাকায় কারখানাটিতে প্রতিদিন তিন কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে উৎপাদন চালু থাকলে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টন অ্যামোনিয়া এবং ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

প্রায় চার দশকের পুরোনো এই কারখানায় বিভিন্ন সময়ে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হয়। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও যন্ত্রপাতির ত্রুটির কারণে আকস্মিকভাবে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে। ত্রুটি শনাক্ত, মেরামত ও পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে অনেক সময় প্রয়োজন হয়। দীর্ঘদিনের ব্যবহারে কারখানাটির উৎপাদন সক্ষমতাও আগের তুলনায় কমেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক উত্তম চৌধুরী বলেন, চলতি বছরের ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করে ১৫ সেপ্টেম্বর উৎপাদন শুরু করা হয়েছিল। কিন্তু দুই দিন পর আবারও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে ১৭ সেপ্টেম্বর ভোরে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ১২ দিন ধরে ত্রুটি মেরামতের পর মঙ্গলবার বিকেলে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। কারখানাটি প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো হওয়ায় যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কখন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। বিদ্যমান সমস্যাগুলো ধাপে ধাপে সমাধানের চেষ্টা চলছে। উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হলে চলতি অর্থবছরের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আর/ দক্ষিণপূর্ব 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।