দক্ষিণ পূর্ব

চবিসহ আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারী, ৪ বাহিনী মোতায়েন

Masud forhan
প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৫
পঠিত :
চবিসহ আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারী, ৪ বাহিনী মোতায়েন
নিজস্ব প্রতিবেদক 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের উপর স্থানীয়দের হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট বাজারের পূর্বসীমা থেকে পূর্বদিকে রেলগেইট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৪ স্তরের বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

আজ (৩১ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে আগামীকাল (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারার এ আদেশ জারি থাকবে।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত ১৪৪ ধারার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেহেতু অদ্য ৩১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলাধীন ফতেপুর ইউনিয়নের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট বাজারের পূর্বসীমা থেকে পূর্বদিকে রেলগেইট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে সকাল আনুমানিক ১১:৩০টায় স্থানীয় জনসাধারণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরস্পর মুখোমুখি ও আক্রমণাত্মক হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং বর্তমানে পক্ষসমূহ আক্রমণাত্মক অবস্থায় রয়েছে,

সেহেতু, আমি মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, আমার উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলাধীন ফতেপুর ইউনিয়নের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট বাজারের পূর্বসীমা থেকে পূর্বদিকে রেলগেইট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে অদ্য দুপুর ০২:০০টা থেকে আগামীকাল ০১.০৯.২০২৫ খ্রি. রাত ১২:০০টা পর্যন্ত ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারার আদেশ জারি করলাম।

উক্ত সময়ে উল্লিখিত এলাকায় সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও সকল প্রকার দেশি অস্ত্র ইত্যাদি বহনসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান কিংবা চলাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করলাম।

এদিকে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোনো বাহিনীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। অবশেষে বিকেল ৪টার দিকে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, আনসার ও পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

আজকের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের অধিকাংশই দেশি অস্ত্রের আঘাতপ্রাপ্ত ও রক্তাক্ত। সংঘর্ষ থামেনি, বরং এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

উল্লেখ্য, শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে এক ছাত্রীকে দারোয়ান কর্তৃক মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী-স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। রবিবার সকাল থেকে একের পর এক সংঘর্ষে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যসহ অন্তত অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

ইই

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।