দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক
আজ ২০ জুলাই, বিশ্ব দাবা দিবস। খেলাটির প্রচার এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৬৬ সালের ২০ জুলাই প্রথম আন্তর্জাতিক দাবা দিবস পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছর বিশ্ব দাবা সংস্থা বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে।
দাবা প্রাচীনকাল থেকেই অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। প্রাচীন ভারতে খেলাটি 'চতুরঙ্গ' নামে পরিচিত ছিলো। ভারত থেকেই এই খেলাটি প্রথমে পারস্যে, তারপর আরব দেশে এবং পরবর্তীকালে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। ক্রমে এই খেলায় বিভিন্ন ধরনের নিয়ম তৈরি হয়েছে। দাবা খেলা সাধারণত দুটি পক্ষের মধ্যে বা দুজনের মধ্যে হয়ে থাকে।
এই খেলায় মোট ৬৪টি ঘর থাকে। প্রতিটি পক্ষে ১৬টি ঘুঁটি থাকে। প্রতিটি পক্ষে থাকে দুটি নৌকা, দুটি গজ, দুটি ঘোড়া, রাজা, মন্ত্রী এবং আটটি বোড়ে। একের পর এক কৌশলী দান দিয়ে অপরপক্ষের রাজাকে কিস্তিমাত করাই প্রতিপক্ষের লক্ষ্য থাকে।
প্রথমদিকে দাবা ছিলো রাজাদের খেলা। এরপর সাধারণত উচ্চ শ্রেণির মানুষদের মধ্যেই এই খেলা সীমাবদ্ধ ছিলো। কিন্তু আধুনিক যুগে এই খেলাটি সর্বসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৮৫১ সালে লন্ডনে প্রথম আধুনিক দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিলো। এই প্রতিযোগিতায় জার্মানির দাবাড়ু অ্যাডলফ অ্যান্ডারসন জয় লাভ করেন।
প্রতি বছর বিশ্ব দাবা সংস্থা ফিডে ( FIDE) বিভিন্ন কার্যসূচীর মাধ্যমে এই দিবস উদযাপন করে। এই দিন বিশ্ব দাবা সংস্থার ১৮১ টি সদস্য দাবা সংস্থা স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
ইই
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।