দক্ষিণ পূর্ব

কাভার্ড ভ্যান থেকে ১৫ লাখ টাকার পণ্য চুরি, গ্রেপ্তার ১

দক্ষিণপূর্ব
দক্ষিণপূর্ব
প্রকাশ : ৪ নভেম্বর ২০২৬ ০২:০৪ রাত
পঠিত : ৩৪
কাভার্ড ভ্যান থেকে ১৫ লাখ টাকার পণ্য চুরি, গ্রেপ্তার ১

ছবি

Degchibarictg

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে কাভার্ড ভ্যান থেকে ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক পণ্য চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে চুরি হওয়া ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ২৪ কার্টন পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর থানার দারুসসালাম রোডের মিসকো সুপার মার্কেটের ৪০ নম্বর দোকান হাসান এন্টারপ্রাইজের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. সুজন হোসেন (২১)।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর চীন থেকে আমদানি করা মাইক্রোফোন, মাইক্রোফোন স্ট্যান্ড, টেলিপ্রম্পটার, সফট বক্স ও মোবাইল ফোন হোল্ডারসহ ১ হাজার ২৬০ কার্টন ইলেকট্রনিক পণ্য চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ফিউচার প্লাস লজিস্টিকস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানির মাধ্যমে তিনটি কাভার্ড ভ্যানে করে এসব পণ্য ঢাকার মেসার্স আবেদিন এন্টারপ্রাইজের গোডাউনে নেওয়া হচ্ছিল। পণ্যগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ৭০ লাখ টাকা।

পরদিন ৫ অক্টোবর রাত ২টা ৩৫ মিনিটে কাভার্ড ভ্যানগুলো পুরানা পল্টনের ৫ নম্বর ঠিকানায় প্রতিষ্ঠানের গোডাউনে পৌঁছায়। এ সময় দুটি কাভার্ড ভ্যানের পণ্য ঠিক থাকলেও মো. রাবিউল নামের এক চালকের মাধ্যমে পাঠানো চট্টগ্রাম মেট্রো-ট-১১-৯২৯৭ নম্বরের কাভার্ড ভ্যানের ৪১০ কার্টনের মধ্যে ৩৪৩ কার্টন পাওয়া যায়। বাকি ৬৭ কার্টন পণ্য, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ টাকা, খোয়া যায়।

এ ঘটনায় মেসার্স আবেদিন এন্টারপ্রাইজের মালিকের পক্ষে মো. কুতুব উদ্দিন মজুমদার পল্টন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করে সিআইডি।

তদন্তের একপর্যায়ে পল্টন থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে সুজন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে চুরি হওয়া ২৪ কার্টন পণ্য উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১৩ লাখ টাকা।

গ্রেপ্তার সুজন ও উদ্ধার করা মালামাল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় কুতুব উদ্দিন মজুমদারের এজাহারের ভিত্তিতে ৩ নভেম্বর পল্টন থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৭, ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

চুরি হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।

আরএইচ 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।