দক্ষিণ পূর্ব

খামেনির জন্য কাঁদছে মানুষ

মনির ফয়সাল
প্রকাশ : ১ মার্চ ২০২৬
পঠিত :
খামেনির জন্য কাঁদছে মানুষ

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত হতেই তেহরানে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাস্তায় নেমে পড়েছেন বহু মানুষ, আর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তাদের মধ্যে অনেককে খামেনির ছবি হাতে ধরে কাঁদতে দেখা গেছে।

 

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা রোববার (১ মার্চ) জানিয়েছে, দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান এবং অভিভাবক কাউন্সিলের একজন আইন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে আপাতত তিন সদস্যের একটি অস্থায়ী নেতৃত্ব কাউন্সিল গঠন করা হচ্ছে। পরবর্তী শাসক নির্ধারিত না-হওয়া পর্যন্ত সাময়িক ভাবে এই কাউন্সিল দেশ চালাবে।

 

খামেনির মৃত্যুর পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, এবার ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতা আগের চেয়ে অনেক সহজ হবে। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেছেন।

 

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নতুন করে পশ্চিম ও মধ্য ইরানের ৩০টি জায়গায় তারা হামলা চালিয়েছে। এ হামলা চলবে।

 

খামেনির কন্যা, জামাই এবং নাতনিরও মৃত্যু হয়েছে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায়। মৃত্যু হয়েছে খামেনির প্রধান উপদেষ্টা এবং ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব আলি শামকানিরও।

 

খামেনির মৃত্যুতে টানা ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে ইরানে। সেদেশের সরকারি সংবাদসংস্থা এই খবর জানিয়েছে।

 

ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী খামেনির মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে। পাল্টা প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। রোববার সকালে তারা জানিয়েছে, আমেরিকা ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে তীব্র’ হামলা শুরু হতে চলেছে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই।

 

একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হামলাটা এবার তারা করবে।

 

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন আমেরিকা এবং ইসরায়েলের যৌথ হামলায়। এ কথা দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।


 
এমএইচএফ

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।