নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের অবস্থান। উড়োজাহাজের জ্বালানি ডিপোর অবস্থানও এই এলাকায়। ট্যাংক লরিতে করে একই এলাকার ভেতর জ্বালানি পরিবহনে খরচ হতো বছরে ৮ কোটি টাকা। সময় ও শ্রম মজুরিও লাগতো প্রচুর।
এবার সেই ৮ কোটি টাকা আর শ্রম, মজুরি সাশ্রয় হচ্ছে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই জ্বালানি সরবরাহ হবে পাইপলাইনের মাধ্যমে। ১৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
নগরীর পতেঙ্গা গুপ্তখালে পদ্মা অয়েলের প্রধান স্থাপনা থেকে ৫ দশমিক ৭৭ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও সময়সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে উড়োজাহাজে জ্বালানি তেল সরবরাহ হবে।
৮ ইঞ্চি ব্যাসের অভ্যন্তরীণ ইপক্সি কোট ও বাহ্যিক থ্রি এলপিই কোট সম্বলিত ন্যূনতম দেড় মিটার আন্ডারগ্রাউন্ড পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে পদ্মা ডিপো থেকে বিমানবন্দর ডিপো পর্যন্ত। এ পাইপলাইন দিয়ে ঘণ্টায় ১৪০ ঘনমিটার জ্বালানি পরিবহন হবে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পাইপলাইনে জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
জানা গেছে, পতেঙ্গা এলাকার গুপ্তখালে রয়েছে উড়োজাহাজের জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মার প্রধান স্থাপনা। যেখান থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দরের দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। এই দূরত্বে ট্যাংকলরির মাধ্যমে বিমানবন্দরের অ্যাভিয়েশন ডিপোতে জেট এ-১ ফুয়েল সরবরাহ করা হতো। দৈনিক ২ লাখ ২৫ হাজার লিটার, বছরে ৬৫ হাজার টন জ্বালানি ট্যাংক লরিতে করে পরিবহনে খরচ হতো বছরে ৮ কোটি টাকা।
পতেঙ্গায় ‘প্রধান স্থাপনা (এমআই) থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত জেট এ-১ পাইপলাইন, চট্টগ্রাম’ শীর্ষক এ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হকের এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল হায়দার আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের পরিচালক (অপা. ও পরি.) ড. একেএম আজাদুর রহমান এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর।
এমএফও
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।