ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, গণনা ও ফলাফল ঘোষণা নিরপেক্ষভাবে নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ দাবি জানান।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সারা দেশে ভোট হওয়ায় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা তুলনামূলক কম থাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হয়েছিল বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা তিন গুণ বাড়ানো হবে বলে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে কমিশন।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পরিস্থিতি ভিন্ন। শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়ালেই নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসন সব সময় শাসকদের অনুগত থাকে। তারা যদি ভোট কারচুপি বা ভোটকেন্দ্রে অনিয়মে সহযোগিতা করে, তাহলে সদস্যসংখ্যা বাড়িয়েও নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা নিশ্চিত করা জরুরি। নির্বাচনে যাতে কোনো ধরনের কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং না হয়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আসন একটি হলেও নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েমসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এসআই/
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।