নিহত ফজল আমিন নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলায় মো. শাহজাহানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় আরও কয়েকজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে ফজল আমিনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শাহজাহান সড়কে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানোর সুযোগ দিয়ে চাঁদা আদায় করতেন। কয়েক দিন আগে স্থানীয়দের এক বৈঠকে এলাকার একটি স্কুলের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকান না বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে শুক্রবার সেখানে আবারও দোকান বসানো হয়।
ফজল আমিনের ছেলে জোবায়ের হক ইনান বলেন, স্কুলের সামনে ভ্যান বসানোর কারণে শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল। শুক্রবার আবার ভ্যান বসানো হলে তাঁর বাবা কেন সেখানে দোকান বসানো হয়েছে, তা জানতে চান। এ সময় শাহজাহান ও তাঁর ছেলে বাবার বুকে ধাক্কা দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জোবায়ের হক বলেন, তাঁর বাবার আগে ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (পাঁচলাইশ) কাজী মো. বিধান আবিদ বলেন, ওমর আলী মাতবর সড়কে ফজল আমিনকে ধাক্কা দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ফজল আমিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।