নিজস্ব প্রতিবেদক:
বৃত্তি পরীক্ষা মানে নিজের মেধা যাচাই নয়, বরং আত্মমূল্যায়নের সুযোগ বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক ও শিল্পপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (এফসিএ)।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত 'মেধা অন্বেষণ উৎসব–২০২৫' উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে জ্ঞান, নৈতিকতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয় ঘটাতে হবে। সুযোগ পেলে কাঞ্চননগর বিদ্যালয়কে আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করব।
দিনব্যাপী এ উৎসব প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মিলনমেলায় রূপ নেয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক মফিদুল ইসলাম মামুন। সঞ্চালনা করেন মোবারক হোসেন রুবেল।
প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে ঘোষণা দেন, এই মাসের ১ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে যাদের জন্মদিন, তাদের প্রত্যেককে দুই হাজার টাকা করে পুরস্কার প্রদান করা হবে। তিনি অনুষ্ঠানস্থলেই তা প্রদান করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াস উদ্দিন আহাম্মদ, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছরওয়ার আলম, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান।
ইউএনও মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর মতো একজন নেতা ফটিকছড়িবাসীর বড় প্রয়োজন। খুব শিগগিরই কাঞ্চননগর বিদ্যালয় কলেজে রূপান্তরিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
উদ্বোধনী ঘোষণা দেন ডা. রাশেদুল হাসান। তিনি বলেন, কাঞ্চননগর একটি বৃহৎ ইউনিয়ন হলেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। আজ ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৯১ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে— এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন ছাত্র আনোয়ারুল আজিম, প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার, নাজমুল আলম চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মহিবুল্লাহ মুন্না, বদিউল আলম তালুকদার, ফোরকান ও মহসিনুল কবির চৌধুরী।
এতো আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা এস এম আজিজ উল্লাহ, অহিদুল আলম, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, মোহাম্মদ ইয়াকুব, জাবেদ, কমর ফারুক, মাহবুবু আলম, মোহাম্মদ খুরশেদ, ইঞ্জিনিয়ার ফজল করিম, রাশেদ প্রমুখ।
দিনব্যাপী এ উৎসবের শেষ পর্বে ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৯১ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে এই উৎসব ফটিকছড়ির শিক্ষাঙ্গনে নতুন প্রেরণার সঞ্চার করেছে।
রহা
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।