শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে লংমার্চের গাড়িবহর পদ্মা সেতু পার হয়। এর আগে সকাল সাড়ে আটটার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে যাত্রা শুরু করে বহরটি।
পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের বহরে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, জিপসহ বিভিন্ন ধরনের মোট ৭৭৮টি যানবাহন ছিল।
এর আগে ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ঢাকা থেকে ৬০০ থেকে ৭০০ গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ শুরু হবে। পথে বিভিন্ন জেলা থেকে আরও গাড়ি বহরে যুক্ত হবে। কুষ্টিয়ায় পৌঁছানোর পর গাড়ির সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। দেশের ১৯টি জেলার নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
শনিবার সকাল সাতটায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সকাল সাড়ে আটটার দিকে গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা।
১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা জানিয়েছেন, এটি তাঁদের তৃতীয় দফার লংমার্চ। এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের কর্মসূচিটি আগের দুটির তুলনায় দীর্ঘ। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ৪১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা বহরটির।
১১-দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-বরিশাল পথেও লংমার্চ আয়োজনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন জোটের নেতারা।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।