এতিম ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। তিনি বলেছেন, এতিম শিশুদের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তাদের কল্যাণ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসার দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এতিম ও অনাথ শিশুদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাদের সুরক্ষা, পরিচর্যা ও পুনর্বাসনে কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এ ক্ষেত্রে ধনী ও বিত্তশালীদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহণ করে অনেকেই দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশে মাদ্রাসাশিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা মেরাজুল হক, মুফতি আরশাদ রহমানি, পাকিস্তানের আল্লামা ফয়সাল নদীম, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন আল মোবারক, মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী কুয়াকাটা ও মুফতি শিহাব উদ্দীন নাটোরী।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, শিল্পপতি আহমেদুল হক, মীর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম, শিল্পপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ বাপ্পী ও সামশুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব খোরশেদ আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আলম এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকে।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।