আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশ করা হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল। সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্য দিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটবে।
ফল প্রকাশের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। ওয়েবসাইটে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল দেখা যাবে। এ ছাড়া মোবাইল ফোন থেকে ১৬১৪০ নম্বরে নির্ধারিত নিয়মে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে।
গত ২ জুলাই দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামীকাল রোববার (১ নভেম্বর) থেকে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। এ আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। সরাসরি বা ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের [rescrutiny.eduboardresults.gov.bd](https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd?utm_source=chatgpt.com) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পরবর্তী ধাপে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখে যে বিষয়গুলোর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।
প্রতিটি পত্রের জন্য পুনর্নিরীক্ষণ ফি ১৫০ টাকা। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি জমা দেওয়ার পর আবেদন পোর্টালে ফিরে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে।
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন জমা দেওয়ার আগে নির্বাচিত বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধন করা যাবে। এ জন্য ‘মুছে ফেলুন’ অপশন ব্যবহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করতে হবে। তবে ফি পরিশোধের পর কোনো বিষয় বাতিল করা যাবে না। একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন কোনো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একই প্রক্রিয়ায় আলাদাভাবে আবেদন করা যাবে। পরিশোধ করা ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হবে না।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।