নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম নগরীর মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগানো সর্ববৃহৎ বৃত্তি পরীক্ষা “আন্-নাবিল বৃত্তি পরীক্ষা-২৫” উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে নগরীর বিভিন্ন মাদরাসার ইবতেদায়ী তৃতীয় শ্রেণি থেকে দাখিল দশম শ্রেণির ২ হাজার শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯টায় নগরের বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদরাসা, পতেঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা ও তানযীমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদরাসা এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রসমূহ পরিদর্শন করেন আন্-নাবিল বৃত্তি প্রকল্পের সম্মানিত উপদেষ্টা আবু সালেহ মোহাম্মদ ছলিমুল্লাহ ও মাওলানা আমিনুল ইসলাম, আব্দুর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জোনের আহ্বায়ক মাইমুনুল ইসলাম মামুন, সদস্য সচিব ফানাফিল্লাহ হক জিহাদী এবং প্রকল্পের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
কেন্দ্র পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা সদস্যরা অভিভাবকদের প্রতি সন্তানদের মাদরাসা শিক্ষায় উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, “মাদরাসা শিক্ষার্থীরা শুধু ধর্মীয় জ্ঞানেই নয়, জাতীয় উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।”
দক্ষিণ জোনের আহ্বায়ক মাইমুনুল ইসলাম মামুন বৃত্তি পরীক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির সকল সদস্য, কেন্দ্রপ্রধান, হল পরিদর্শক, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “আন্-নাবিল বৃত্তি পরীক্ষা কেবল একটি পরীক্ষা নয়; এটি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও মেধা বিকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম।”
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনেকেই ভবিষ্যতেও এই বৃত্তি পরীক্ষার ধারাবাহিক আয়োজন অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।
প্রসঙ্গত, বর্তমান সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং ইসলামি আদর্শে শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও আন্-নাবিল বৃত্তি প্রকল্প'২৫ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে। প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হলো অবহেলিত মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার সঠিক মূল্যায়ন ও শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করা।
এমএইচএফ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।