দক্ষিণ পূর্ব

আমরা আইনের পক্ষে ; এসপি নাজির আহমেদ

মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন
প্রকাশ : ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পঠিত :
আমরা আইনের পক্ষে ;  এসপি নাজির আহমেদ

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন

পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেছেন, আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজন ছাড়া কোনো পরিস্থিতিতেই বলপ্রয়োগ করা যাবে না। তবে কেউ আইন ভঙ্গের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো যাবে না।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন দায়িত্বে নিয়োজিত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং পার্টির অফিসার ও ফোর্সদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, নির্বাচনী পরিবেশে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা কিংবা সহিংসতার আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত, বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। “আমরা কারও প্রতিপক্ষ নই, আমরা আইনের পক্ষে। আমাদের আচরণেই প্রমাণ হবে বাংলাদেশ পুলিশ একটি নিরপেক্ষ, দক্ষ ও জনগণবান্ধব বাহিনী,” বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে, ভয়ভীতি ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—এটাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। দায়িত্ব পালনের সময় শালীন আচরণ, ধৈর্য ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের উসকানি, প্ররোচনা বা চাপের মুখে পড়ে আবেগতাড়িত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করারও নির্দেশ দেন তিনি।

উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে এসপি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে—এ বিষয়ে তিনি আশাবাদী। সততা, শৃঙ্খলা ও ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ব্রিফিংকালে নির্বাচনকালীন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং পার্টির দায়িত্ব সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়। মোবাইল পার্টি ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহলের মাধ্যমে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখবে। তারা ভোটারদের নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগে সহায়তা করবে এবং যেকোনো বেআইনি কার্যক্রম, ভীতি প্রদর্শন বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। প্রয়োজনে প্রিজাইডিং অফিসারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহায়তা এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে।

অন্যদিকে স্ট্রাইকিং পার্টি কুইক রেসপন্স দল হিসেবে গুরুতর বা আকস্মিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সহিংসতা, সংঘর্ষ বা ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা নিয়ন্ত্রণ করবে। একই সঙ্গে ভোটার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য, রোববার থেকে চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানা এলাকায় ১১৯টি মোবাইল টিম ও ৩০টি স্ট্রাইকিং টিমে মোট ৬২৬ জন পুলিশ সদস্য নির্বাচনকালীন দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।