দক্ষিণ পূর্ব

এবছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১২০ টাকা

RAFIQ HYDER
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৫
পঠিত :
এবছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১২০ টাকা

রফিক মোহাম্মদ 

রমজানে এ বছর বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি  সর্বনিম্ন ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ আহলুস্ সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০২৫ সালের জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১২০ টাকা। গত বছর এই হার ছিল ১১৫ টাকা। 

বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুর ২ টায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ সংলগ্ন অফিসে 'সাদকাতুল ফিতরা' এর হার নির্ধারণ বিষয়ক এক সভায় ফিতরার টাকা নির্ধারণ হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আহলুস্ সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রধান উপদেষ্টা আওলাদে রাসুল (সঃ) আল্লামা সাইয়্যেদ আনোয়ার হোসাইন তাহের জাবেরী আল মাদানী। সভায় বিশিষ্ট আলেমদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আহলুস্ সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সভাপতি ও বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আল্লামা সাইয়েদ মুহাম্মদ আবু নোমান, সেক্রেটারি ও দারুল উলুম আলীয়া মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস মাওলানা মুফতি আহমুদুর রহমান নদভী, দারুল উলুম আলীয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ আল-বাকি, বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মুহাম্মদ খালেদ সাইফুল্লাহ, জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ খতিব ও ইমাম মাওলানা মুফতি মুনিরুল ইসলাম রফিক, সলিমা সিরাজ ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ মোহছেন আল হোসাইনী, আফগান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ মুস্তাহসিন বিল্লাহ, মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুফতি মামুনুর রশিদ নুরী। 

সভায় বিস্তারিত পর্যালোচনাপূর্বক আটার বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী (অর্ধ সা') ১ কেজি ৬শ' ৫০ গ্রামের মূল্য হিসেবে ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়াও ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী আরো চারটি পন্যদ্বারা ফিতরা আদায় করা বৈধ। যেমন-খেজুর, যব, কিসমিস ও পনির। তবে  এসব পণ্যের পরিমান হলো এক সা' অর্থাৎ ৩ কেজি তশ' গ্রাম। ঈদের নামাজের পূর্বে ফিতরা আদায় করা মুস্তাহাব। একটি মুসলিম পরিবারের সকল সদস্যদের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। ফিতরা হচ্ছে মুসলিম রোজাদার ও আল্লাহর মধ্যে একটি সেতুবন্ধন। ফিতরা আদায় করা না হলে রোজা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। 

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (স:) সাদাকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন যাতে এর মাধ্যমে রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে পবিত্রতা লাভ করা যায় এবং অভাবী মিসকিনদের আহারের ব্যবস্থা করা যায়।(আবু দাউদ)

সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনির— যেকোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে বিতরণ করতে পারবেন।

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।