পবিত্র কুরআনের শিক্ষা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করতে না পারলে মানুষের প্রকৃত মুক্তি নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট আলেমরা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তারা কুরআনের আলোকে জীবন পরিচালনার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও ইনসাফ কায়েমের সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
রোববার (৮ মার্চ) চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানা জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক আয়োজিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে ইফতার মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি খায়রুল বাশার বলেন, কুরআন শুধু তিলাওয়াতের জন্য নয়; বরং এটি মানুষের জীবন পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবক্ষেত্রে কুরআনের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই মানবজাতির প্রকৃত কল্যাণ ও মুক্তি নিশ্চিত হবে।
তিনি প্রত্যেক মুসলমানকে কুরআনের শিক্ষা গভীরভাবে অনুধাবন করে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার তাগিদ দেন।
আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের রমজান
পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় তিনি বলেন, রমজান মাস মূলত আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এই পবিত্র মাসে অর্জিত কুরআনের শিক্ষা বছরের বাকি ১১ মাস অনুসরণ করার মধ্যেই একজন মুমিনের প্রকৃত সফলতা নিহিত।
সমাজ সংস্কারে কুরআনের নৈতিকতা
ইফতার মাহফিলে বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সমাজে বিরাজমান দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্য দূর করার একমাত্র পথ হলো কুরআনের নৈতিকতা ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা। এই আদর্শ সমাজে প্রতিষ্ঠিত হলে একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে।
থানা সেক্রেটারি মাওলানা মফিজুল হকের সঞ্চালনায় মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, তাওহীদ আজাদ (থানা কর্মপরিষদ সদস্য), ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল হোসাইন, জাহান উদ্দীন, মাওলানা আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম, ইসমাইল হোসেন এবং শহীদুল্লাহ তালুকদার।
ইফতার মাহফিলে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।
ইই
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।