নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার নয়াহাট এলাকার একটি গুদাম থেকে আরও ১১ হাজার ৭৮৫টি সন্দেহজনক ইউনিফর্ম জব্দ করেছে পুলিশ। ইউনিফর্মগুলো পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার (২৬ মে) দিবাগত রাতে এসব ইউনিফর্ম জব্দ করা হয়। পুলিশের একটি সূত্রও বলছে, এসব পোশাক পার্বত্য এলাকার সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) ইউনিফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এর আগেও গত ১৭ মে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার রিংভো এ্যাপারেলস নামে পোশাক কারখানা থেকে ২০ হাজার ৩০০ পিস ইউনিফর্ম উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ। একইসাথে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা সোমবার রাতে ১১ হাজার পোশাক উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নাম প্রকাশ না করতে অনুরোধ জানান। তিনি বলেছেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বক্তব্য দেওয়া সম্ভব নয়।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। আপনারা স্যারদের সঙ্গে কথা বলেন।
এর আগে গত ১৭ মে পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ এর ২০ হাজার ৩০০ পিস পোশাক উদ্ধারের ঘটনায় গত ১৮ মে নগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন। তার করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফের জন্য এসব পোশাক তৈরি হচ্ছিল। দুই কোটি টাকার চুক্তিতে পোশাক তৈরির ফরমাশ নেওয়া হয়েছিল।
এ ঘটনায় ওই কারখানার মালিক সাহেদুল ইসলামসহ গোলাম আজম ও নিয়াজ হায়দার নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের বাসিন্দা মংহলাসিন মারমার কাছ থেকে ফরমাশ এনেছিলেন। পুলিশ বলছে, চলতি মে মাসে পোশাকগুলো সরবরাহ করার কথা ছিল।
এসব বিষয়ে জানতে সিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তারা সাড়া দেননি।
এম
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।