দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়েও নিকৃষ্ট কাজ। জামায়াত নিজে চাঁদাবাজি করবে না এবং কাউকে করতেও দেবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সকাল থেকেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে যাত্রাবাড়ী এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর অন্যতম প্রবেশদ্বার যাত্রাবাড়ী কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম স্পট হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়।
দুপুর ১২টার দিকে সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে আর ফ্যাসিবাদ দেখতে চায় না জনগণ। যারা মানুষের মনের ভাষা বুঝতে পারছে না, ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ তাদের সেই ভাষা বুঝিয়ে দেবে।
তিনি বলেন, “হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি। ফ্যাসিবাদের শেকড় উৎপাটন করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে।”
নারীদের ভূমিকা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে নারীদের সম্পৃক্ত করা হবে। জামায়াত সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। ঘরে ও বাইরে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কর্মজীবী নারীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ইভনিং বাস সার্ভিস চালুর কথাও জানান তিনি।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, কেউ কেউ পরাজয়ের আশঙ্কায় অবৈধ পথে এগোনোর চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করা হলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে। “ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করতে এলে আগুন জ্বলবে”—বলেন তিনি।
জনসভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
রহা
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।