জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯২ হাজার এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশু রয়েছে।
বৃহস্পতিবার চসিকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মেয়র বলেন, ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে এক লাখ আইইউ সমৃদ্ধ নীল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের দুই লাখ আইইউ সমৃদ্ধ লাল রঙের একটি করে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে চসিকের সাতটি ইপিআই জোনের অধীনে প্রায় এক হাজার ৩২১টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। পাশাপাশি যেসব শিশু নির্ধারিত দিনে ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারবে না, তাদের পরবর্তীতে নিকটস্থ ইপিআই কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, এ ভিটামিন শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুর জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ খাওয়ানো এবং প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ছয় মাস বয়স পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি পুষ্টিকর ও সুষম খাবার দেওয়ার পরামর্শ দেন।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৭ শতাংশকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো সম্ভব হয়েছিল।
আর এইচ/দক্ষিণপূর্ব
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।